Responsive Ad Slot

রান্না-বান্না লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রান্না-বান্না লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

খুব সহজে ঘরেই তৈরি করুন চিকেন রোস্ট

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯





খুব সহজে ঘরেই তৈরি করুন চিকেন রোস্ট

রোস্ট আমরা সবাই প্রায় বানাতে পারি। আর কোনো উৎসব অনুষ্ঠানে রোস্ট না হলে চলে না। তাই যারা এখনো পারেন না বা ভুলে গেছেন তাদের জন্য দিচ্ছি চিকেন রোস্টের রেসিপি। পারফেক্টভাবে বানাতে আমাদের এই রেসিপিটি ফলো করতে পারেন।

উপকরণ :

-মুরগী মাংস ১ কেজি
-আদা বাটা ২ টেবিল চামচ
-পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ
-মাওয়া ১ টেবিল চামচ
-কাঠবাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ
-পোস্তদানা বাটা ১ টেবিল চামচ
-রসুন বাটা এবং জিরা বাটা ১/২ চা চামচ
-গরম মসলা গুড়া ১/২ চা চামচ
-গোলমরিচ বাটা ১/২ চা চামচ
-পেঁয়াজ বেরেস্তা ১/২ কাপ
-টক দই ১/২ কাপ, ঘি ২ টেবিল চামচ
-পেস্তা বাদাম, কিসমিস, আলু রোখারা পরিমান মত
-লবণ পরিমাণমতো
-জাফরান সামান্য 

প্রস্তুত প্রণালী 

# মুরগী ৪ টুকরা করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। মুরগীর গায়ে ছুরি দিয়ে দাগ কেটে দিন। সামান্য জাফরান মাখিয়ে নিন। গোলাপজলে জাফরান ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট।
# এরপর একটা ওভেনপ্রুফ পাত্রে মুরগীর খন্ডগুলো রাখুন। মুরগী, তেল, টকদই, আদা, রসুন, কাঠবাদাম বাটা, পোস্তদানা বাটা, মরিচ, জিরা গুড়া, গরম মসলা পাউডার, কিসমিস, আলুবোখারা, ঘি, পেঁয়াজ বেরেস্তা সব একসাথে মেখে ২০ মিনিট রেখে দিন।
# মুরগীর মাংসের পাত্রের ঢাকনা বন্ধ করে ওভেনে রাখুন। মাইক্রো পাওয়ার হাই পয়েন্টে সেট করুন। ওভেনে ৮ মিনিট রান্না করুন। মাঝে একবার বের করে নেড়ে দিন। ৮ মিনিট পর পাত্র বের করে নিন।
# এরপর পেস্তা বাদাম কুচি, গোলাপজলে ভিজিয়ে রাখা জাফরং, মাওয়া, সব মিশিয়ে পাত্রের ঢাকনা বন্ধ করে ওভেনে ৫ মিনিট রান্না করুন।
# ৫ মিনিট পর পাত্র বের করে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।





নারিকেলের সন্দেশ বানানোর রেসিপি

কোন মন্তব্য নেই


নারিকেলের সন্দেশ বানানোর রেসিপি


নারিকেলের সন্দেশ অনেক মজাদার ও সুস্বাদু একটি খাবার। আপনি সহজেই অল্প সময়ে ঘরে তৈরি করতে পারেন এই মজাদার নারিকেলের সন্দেশ, যা নাকি সব বয়সের মানুষের খুবই পছন্দের।

যা যা লাগবে :
নারিকেল ১টি, চিনি ১কাপ, গুঁড়া দুধ ১কাপ, ঘি ১ টেবিল চামচ, এলাচি ৩/৪টি।

প্রস্তুত প্রণালী :
প্রথমে নারিকেল মিহি করে বেটে নিতে হবে। পাত্রে ১ টেবিল চামচ ঘি দিন। নারিকেল বাটা ঘিয়ে ছেড়ে দিন। চিনি ও এলাচি দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। চুলার আগুন কমিয়ে করুন। নারিকেল গুলো নাড়তে নাড়তে যখন গুলিয়ে আসবে তখন দুধ মিশিয়ে নিন।

এরপর নাড়তে নাড়তে যখন দুধ নারিকেলের সাথে মিশে যাবে তখন চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। কিছুক্ষণ রেখে দিয়ে একটু ঠাণ্ডা হলে পছন্দ মত ডিজাইন চেপে সন্দেশ তৈরি করুন।

















ঘরে বসে তৈরি করুন সাত রঙের চা / Imagine making seven-color tea

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯



ঘরে বসে তৈরি করুন সাত রঙের চা

শ্রীমঙ্গলের সাত রঙের চা সবার কাছেই খুব আকর্ষণীয় ও প্রিয়। সাতরঙের রঙিন চায়ের এই বিশেষ রেসিপি বেশির ভাগ মানুষেরই অজানা। অনেকেই আবার ভাবেন এটা শুধুমাত্র শ্রীমঙ্গলেই পাওয়া যায়।

তাহলে জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন মজাদার এই সাত রঙের সুন্দর ও আকর্ষণীয় চা বানানো যায়। যা আপনার পরিবার বা অতিথিদের অনেকটাই চমকে দিবে।

যে যে উপকরণ লাগবে-
১। চা পাতা
২। চিনি
৩। কনডেন্স মিল্কের

সাত রঙের চা প্রস্তুত প্রণালী-


১। প্রথমে ১ টেবিল চামচ চিনির সাথে ২ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে সিরা করে নিতে হবে।
২। পরিমাণ মতো পানি এবং চাপাতা চুলায় জ্বাল দিয়ে লিকার তৈরী করে নিন।
৩। ১ টেবিল চামচ লিকার ও ১ চামচ সিরা মিশিয়ে রাখুন।
৪। তারপর ২ টেবিল চামচ কনডেন্স মিল্কের সাথে ১ টেবিল চামচ লিকার মিশিয়ে নিতে হবে।
৫। তারপর একটা কাপ/গ্লাসে প্রথমে প্লেইন সিরা ঢেলে নিয়ে ২০ সেকেন্ড পরে সিরা মেলানো লিকার টা দিতে হবে।
৬। এর ৩০ সেকেন্ড পরে কনডেন্স মিল্কের মিশ্রন দিতে হবে।
৭। তার ১ মিনিট পর বাকি লিকারটুকু গরম করে একদম কাপের ধার ঘেষে আস্তে আস্তে ঢালতে হবে।
৮। আরও ১ মিনিট পর পর কনডেন্স মিল্কের মিশ্রন ও লিকার আস্তে আস্তে ঢালতে হবে।

এবার দেখুন সহজেই তৈরী হয়ে গেল সাত লেয়ারের মজাদার রঙিন চা। এভাবেই পরিবারের সবাইকে উপহার দিন মজার এই রঙিন চা।






ছোলা ভিজাতে ভুলে গেলেও ৩০মিনিটে নরম ছোলা ভুনা

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯



ছোলা ভিজাতে ভুলে গেলেও ৩০মিনিটে নরম ছোলা 

যত কিছুই থাক না কেন ছোলা বা বুট ছাড়া যেন সব অপূর্ণ থেকে যায়। তবে নরম ছোলা ভুনা খেতে চাইলে ছোলাটা ভিজিয়ে রাখতে হয় আগের রাতে, কমপক্ষে সেহেরির সময় বা সকাল বেলা। ৬/৭ ঘণ্টা না ভিজিয়ে রাখলে ছোলা ফোলে না, ফলে সিদ্ধ করার সময় নরমও হতে চায় না। 

তাই কোনো কারণে ছোলা ভিজিয়ে রাখতে মনে না থাকলে অনেকে বাজারে গিয়ে কিনেন। কিন্তু এখন ভিজিয়ে রাখা ছাড়াই নরম ও সুস্বাদু ছোলা ভুনা করতে পারবেন। তাও আবার মাত্র ৩০ মিনিটে। তবে চলুন জেনে নিই একটি জাদুকরী উপায়।


যা লাগবে :–
ছোলা ২৫০ গ্রাম, ফুটন্ত গরম পানি দেড় থেকে ২ লিটার, সেদ্ধ করার জন্য প্রেসার কুকার।

প্রণালি :
ছোলা ভালো করে ধুয়ে একটি বড় পাত্রে নিন। তারপর ফুটন্ত গরম পানি ছোলার মাঝে দিয়ে দিন। পাত্র ঢাকনা দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিন।

# এবার প্রেসার কুকারে ছোলাগুলো পানি সহ দিয়ে দিন। এমনভাবে পানি দেবেন যেন ছোলা ভালো মত ডুবে থাকে পানিতে।

# প্রেসার কুকার চুলায় বসিয়ে দিন বেশী আঁচে। সিটি বাজা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ৩ থেকে ৫ টি সিটি বাজলেই চুলা নিভিয়ে দিন।

প্রেসার কুকার থেকে সমস্ত বাষ্প নিজে নিজে বের হয়ে যেতে দিন। তারপর খুলে দেখুন, আপনার ছোলা সিদ্ধ তৈরি। এবার এই ছোলাকে পছন্দমত রান্না করে নিন।

জরুরি টিপস –
অনেক ছোলা প্রেসার কুকারেও ফুলতে বা সিদ্ধ হতে সময় লাগে। যদি দেখেন যে ছোলা ফোলেনি বা সিদ্ধ হয়নি, সেক্ষেত্রে প্রেসার কুকারের ঢাকনা আটকে আরো কয়েকটি সিটি দিন।

# ছোলা ২০ মিনিটের জায়গায় ১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে সবচাইতে ভালো। তবে ২০ মিনিটেও কাজ চলবে।

কাঁচা আমের লোভনীয় কাশ্মীরী আচার

কোন মন্তব্য নেই

কাঁচা আমের লোভনীয় কাশ্মীরী আচার

বাজারে এখন প্রচুর কাঁচা আম পাওয়া যায়। তাই আমের আচার বানানোর সময় চলে এসেছে। খাবারের স্বাদ ও মুখের রুচি বাড়াতে আচারের জুরি মেলা ভার। এছাড়া প্রিয়জনের জন্য ঘরে বানিয়ে ফেলতে পারেন মজাদার কাশ্মীরী আচার।

যা যা লাগবে :
কাঁচা আম বড় সাইজের ১ কেজি, চিনি আধা কেজি বা পরিমাণ মতো, সিরকা ১ কাপ, শুকনা মরিচ গোল গোল করে কাটা ১ টেবিল চামচ, আদা ফুল করে কাটা ১ টেবিল চামচ, পানি পরিমাণ মতো এবং লবণ সামান্য।

প্রণালি :
প্রথমে আম ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে মাঝারি সাইজের লম্বা লম্বা করে কেটে সামান্য লবণ মাখিয়ে একদিন রোদে দিয়ে ফুটন্ত পানিতে ২ মিনিট ফুটিয়ে নিন। তারপর ঝাঁঝরিতে দিয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। একটি পাতিলে পরিমাণ মতো পানি ও চিনি দিয়ে সিরা করে তাতে টুকরা করা আম দিয়ে অল্প আঁচে রেখে জ্বাল দিতে থাকুন।

আমের সিরা যখন ঘন হয়ে আসবে তখন তাতে একে একে সিরকা, বাটা মরিচ, গোল করে কাটা লাল মরিচ এবং টুকরা করা আদা দিয়ে প্রায় ৩/৪ মিনিট চুলায় আস্তে জ্বালে রেখে দিন। প্রায় ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। এরপর ঠাণ্ডা করে বোয়ামে ভরে ফ্রিজে রেখে খাওয়া যাবে প্রায় এক বছর।

বিকেলের নাস্তায় সুস্বাদু ডিম-আলুর কাটলেট

কোন মন্তব্য নেই

বিকেলের নাস্তায় সুস্বাদু ডিম-আলুর কাটলেট

বাসায় অতিথি আসলে ঝটপট তৈরি করে ফেলতে পারেন সুস্বাদু ডিম-আলুর কাটলেট। স্বাস্থ্যকর ও মজাদার এই আইটেমটি শিশুরাও পছন্দ করবে। মেঘলা মেঘলা আবহাওয়ায় বিকেলের নাস্তায় মজাদার এই কাটলেটের জুড়ি নেই। তৈরী করাটাও সোজা। চলুন জেনে নেয়া যাক রেসিপি-

# উপকরণ
সেদ্ধ ডিম- ৪টি
আলু- ২৫০ গ্রাম (সেদ্ধ করে চটকে নেওয়া)
ধনেপাতা কুচি- মুঠো ভর্তি
পেঁয়াজ- ১টি (কুচি)
মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ
লবণ- আধা চা চামচ
তেল- ১ কাপ
বিস্কুটের গুঁড়া- পরিমাণ মতো
ফেটানো ডিম- ১টি (ম্যারিনেট করার জন্য)

# প্রস্তুত প্রণালি
চটকে রাখা আলু, পেঁয়াজ কুচি, মরিচ গুঁড়া, লবণ ও ধনেপাতা কুচি একসঙ্গে মেশান। সেদ্ধ ডিম দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। মিশ্রণ থেকে ছোট বল তৈরি করে সামান্য চ্যাপ্টা করে নিন। ফেটিয়ে রাখা ডিমে ডুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়ায় গড়িয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিন কাটলেট। টমেটো সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন মচমচে কাটলেট। 

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

জিভে জল আনা করমচা আচারের রেসিপি

কোন মন্তব্য নেই

জিভে জল আনা করমচা আচারের রেসিপি

করমচা টক জাতীয়, বেশ জনপ্রিয় একটি ফল। করমচায় রয়েছে ভিটামিন ‘সি’। যা দাঁত, দাঁতের মাড়ি, অকাল বার্ধক্য রোধে ও ফুসফুস ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে আরো রয়েছে প্রোটিন, ফ্যাট, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, মিনারেল, ফসফরাস, আয়রন এবং ভিটামিন-এ যা আমাদের শরীরের জন্য জরুরি।

এক কথায়, কাচা করমচা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। পাশাপাশি আচার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। করমচার আচার মুখরোচক ও রুচিবর্ধক। চলুন ঝটপট জেনে নিই করমচার আচারের রেসিপি-

উপকরণ :
করমচা ১ কেজি, পাঁচফোড়ন গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণ মতো, চিনি ২ টেবিল চামচ, লঙ্কার গুড়ো গুঁড়ো ২ টেবিল চামচ, মেথি গুঁড়ো, ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ, সিরকা ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়ো ১ চা চামচ, সর্ষের তেল ২ কাপ, রসুন বাটা হাফ কাপ।

প্রণালি :
করমচা ধুয়ে কেটে বিচি বের করে নিতে হবে। কড়াইয়ে তেল দিয়ে সব মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন এবং করমচা দিয়ে দিন। একটু পরে সিরকা ও লবণ চিনি দিয়ে ১০ মিনিট রান্না করতে হবে। আচারের উপরে তেল উঠে আসলে আচার নামিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে সংরক্ষণ করে রাখুন কাঁচের বোয়ামে। ভালোভাবে সংরক্ষণ করলে দীর্ঘদিন রেখে খাওয়া যাবে।

ডিম ছাড়াই তৈরি লোভনীয় ক্যারামেল পুডিং

কোন মন্তব্য নেই

ডিম ছাড়াই তৈরি লোভনীয় ক্যারামেল পুডিং 

পুডিং খেতে ছোট-বড় সবাই খুব পছন্দ করে। মিষ্টি খাবারের মধ্যে পুডিং অন্যতম। পুডিং খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন। পুডিং তৈরির প্রধান উপাদান হলো ডিম। অনেকের অ্যালার্জি থাকার কারণে ডিম খাওয়া নিষেধ থাকে। আবার অনেক সময় ঘরে ডিম না থাকার কারণে পুডিং খাওয়ার ইচ্ছা থাকলে পুডিং তৈরি করা হয় না। এখন ডিম ছাড়াও পুডিং তৈরি সম্ভব। কীভাবে? জেনে নিন ডিম ছাড়া পুডিং তৈরির রেসিপিটি। আকর্ষণীয় এই পুডিং নিজে তৈরি করে খান আর উপহার দিন প্রিয়জনদের।

উপকরণ:
২-৩ চা চামচ কাস্টার্ড পাউডার, ১/২ কাপ টকদই, ১/২ কাপ কনডেন্সড মিল্ক,
১/২ কাপ দুধ, ৩-৪ টেবিল চামচ চিনি, চিনির গুঁড়ো, ২-৩ ফোঁটা ভ্যানিলা এসেন্স, চেরি অথবা স্ট্রবেরি সাজানোর জন্য।

প্রণালী:
প্রথমে একটি প্যানে চিনি দিয়ে নাড়ুন। তার সাথে সামান্য পানি দিয়ে দিন। চিনি এবং পানি একসাথে কিছুক্ষণ নাড়তে থাকুন। ক্যারামেল তৈরি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার ক্যারামেলটি পুডিং-এর পাত্রে ঢালুন।

অন্য একটি পাত্রে টকদই, কনডেন্সড মিল্ক, চিনির গুঁড়ো, কাস্টার্ড পাউডার এবং দুধ দিয়ে ভালো করে মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। এতে ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে ভালো করে নাড়ুন। যদি মিশ্রণটি পাতলা মনে হয় তাহলে এতে আরো কাস্টার্ড পাউডার মেশাতে পারেন।

সবগুলো উপাদান মেশানো হয়ে গেলে ক্যারামেল ঢালা পাত্রে মিশ্রণটি ঢেলে দিন। এবার চুলায় একটি পাত্রে পানি দিয়ে তার মধ্যে পুডিং এর পাত্রটি দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে অল্প আঁচে রান্না করতে দিন।

টুথপিক দিয়ে পরীক্ষা করে নিন পুডিং ভালোভাবে হয়েছে কিনা। সম্পূর্ণ সিদ্ধ হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন। তৈরি হয়ে গেলো ডিম ছাড়া পুডিং। ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা হতে দিন। পরিবেশনের আগে এর উপরে চেরি অথবা স্ট্রবেরি দিয়ে সাজিয়ে নিন।

সুস্বাদু বিফ কিমা পোলাও।

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯



সুস্বাদু বিফ কিমা পোলাও।


উৎসব-পার্বণ মানেই স্পেশাল সব খাবারের আয়োজন। আর এসব সুস্বাদু খাবারই উৎসবের আমেজ বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। তাই আমেজ বাড়াতে মেন্যুতে রাখতে পারেন জিভে জল আনা বিফ কিমা পোলাও।

উপকরণ :
পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, গরুর কিমা ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, পেয়াজ কুচি আধা কাপ।

এলাচ ৪-৫ টি, দারুচিনি ৩-৪টি, ঘি ২ টেবিল চামচ, তেল ৩ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ মতো, তেজপাতা ২টি, কাঁচামরিচ আস্ত ৫-৬টি, গরম পানি ৮ কাপ।

প্রণালি :
পোলাওয়ের চাল ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। একটি পাত্রে পেঁয়াজ বেরেস্তা করে ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে।


লবণ আর সব উপকরণ এক সঙ্গে মেখে কড়াইতে তেল দিয়ে কষাতে হবে। এরপর মাংসের কিমা ঢেলে দিয়ে রান্না করতে হবে। মাংসের কিমার পানি শুকিয়ে গেলে পোলাওয়ের চাল ঢেলে দিয়ে ভাজতে হবে।

এরপর গরম পানি, কাঁচামরিচ টুকরা দিয়ে বেশি আঁচে রান্না করতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে অল্প আঁচে দমে রেখে দিয়ে কিছুক্ষণ পর ঘি দিয়ে একটু নেড়ে নিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।

সুস্বাদু চিলি চিকেন রান্নার সহজ রেসিপি।

কোন মন্তব্য নেই


সুস্বাদু চিলি চিকেন রান্নার সহজ রেসিপি।

চিলি চিকেন খাবারটি অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও দারুন জনপ্রিয়। চাইনিজ খাবারের কথা মনে হলেই চিলি চিকেনের অসাধারণ স্বাদের কথা সবার আগে মনে পড়ে।  

ফ্রাইড রাইসের পাশাপাশি পোলাও, পরোটা ও লুচির সাথেও চিলি চিকেন অনায়াসেই খাওয়া যায়। আর তৈরি করাও খুব সহজ। জেনে নিন চিলি চিকেন তৈরির রেসিপি।

উপকরণ:
মুরগির মাংস ২ কাপ (কিউব করে কাটা), পিয়াজ বড় মোটা করে কাটা ২ কাপ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, ডিম ১ টা, ময়দা ৩ টেবিল-চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, চিলি সস ১ কাপ, গুরো লংকা ২ চা চামচ, আদা ও রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, জিরা ও ধনে গুরো ১ টেবিল চামচ, সয়াসস ৪ টেবিল চামচ, ক্যাপ্সিকাম কিউব ১ টেবিল চামচ, টেস্টিং সল্ট হাফ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল পরিমাণমতো।

প্রস্তুত প্রনালী:
মুরগির মাংস সয়াসস, আদা, রসুন, জিরা ও ধনে গুড়ো, লেবুর রস, ময়দা, ডিম ও লবণ দিয়ে মাখিয়ে ২০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন।

প্যানে তেল গরম হলে মাংস দিয়ে ৫ মিনিট নাড়াচাড়া করে ভাজুন। ভাজা হয়ে গেলে পেয়াজ কুচি দিয়ে, মরিচের গুরো ও ১ কাপ জল দিয়ে ঢেকে দিন ৫ মিনিটের জন্য।

৫ মিনিট পর ১ কাপ নরমাল জলে সস ও কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে চিকেনের সাথে ভাল করে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে দিন । ঢেকে দিয়ে কিছুক্ষন রান্না করুন। ঘন হয়ে এলে নেড়ে নামিয়ে নিন।

ডিশে ঢেলে ক্যাপ্সিকাম কিউব ছিটিয়ে দিন। ফ্রাইড রাইসের সাথে অথবা লুচি দিয়ে পরিবেশন করুন ।

সালাদের পরিবর্তে টক-মিষ্টি স্বাদের রায়তা

কোন মন্তব্য নেই

রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৯

সালাদের পরিবর্তে টক-মিষ্টি স্বাদের রায়তা



পোলাও বা বিরিয়ানির সাথে অবশ্যই যে খাবারটি রাখা হয় তা হলো সালাদ। এই সালাদের পরিবর্তে রাখতে পারেন রায়তা। টক-ঝাল-মিষ্টি খাবারটি মুখে অন্যরকম স্বাদ দেয়ার পাশাপাশি হজমেও সহায়তা করবে। পোলাও, বিরিয়ানি কিংবা রুটি সবকিছুর সাথে রায়তা খেতে পারেন।
রায়তা তৈরি করা খুব একটা কঠিন নয়। সহজেই এই খাবারটি তৈরি করতে পারেন। জেনে নেয়া যাক রায়তার রেসিপিটি।

উপকরণ:বড় শসা ২টি, টকদই ২ কাপ, জিরা গুঁড়ো ৩/৪ চা চামচ, ধনিয়া গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ, মরিচ গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ, লেবুর রস ৪ চামচ, লবণ পরিমাণমতো, গোল মরিচের গুঁড়ো ২/৩ চামচ, পুদিনা পাতা কুচি, ১/৪ কাপ।

প্রস্তুত প্রণালী:প্রথমে শসা ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার এটি অর্ধেক করে তার ভিতর থেকে সব বীচি ফেলে দিন। পেপার টাওয়ালে শসা কুচি রেখে চিপে শসার পানি ফেলে দিন।

এবার একটি পাত্রে টকদই, জিরা, ধনিয়া, মরিচ, লেবুর রস, লবণ এবং গোল মরিচ দিয়ে ভালো করে মেশান। এরপর এতে শসা কুচি দিয়ে দিন। শসা কুচি ভালো করে মেশান। পুদিনা পাতা কুচি দিয়ে সবগুলো উপাদান একসাথে মেশান।
এরপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ফ্রিজে কয়েক ঘন্টার জন্য রেখে দিন। এতে সবকিছু উপাদান মিশিয়ে অন্যরকম স্বাদ দেবে।

এবার বিরিয়ানি কিংবা পোলাও এর সাথে পরিবেশন করুন ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা রায়তা।

ঘরেই তৈরি করুন লোভনীয় রসমালাই

কোন মন্তব্য নেই

ঘরেই তৈরি করুন লোভনীয় রসমালাই

 

উৎসবে অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টি আইটেম তো রাখা চাই-ই। এ সময় সেমাইয়ের নানা পদ রান্না হয় ঘরে ঘরে। তবে স্বাদের ভিন্নতা আনতে বানিয়ে ফেলতে পারেন রসে টইটম্বুর রসমালাই।

রসমালাই তৈরির উপকরণ :ডিম- ১টি, বেকিং পাউডার- ১ চা চামচ, গুঁড়া দুধ- ১০০ গ্রাম, ময়দা- ১ টেবিল চামচ,
ঘি- সামান্য।

মালাই তৈরি উপকরণ :তরল দুধ- দেড় লিটার, চিনি- স্বাদ অনুযায়ী, বাদাম- এক মুঠো এবং এলাচ- ৫/৬টি।

যেভাবে বানাবেন :
মিষ্টি তৈরি করার জন্য গুঁড়া দুধ, বেকিং পাউডার, ডিম ও ময়দা একসঙ্গে মিশিয়ে ডো তৈরি করুন। হাতে ঘি মাখিয়ে ছোট ছোট আকৃতির বল তৈরি করে নিন।

মালাই বানানোর জন্য তরল দুধ জ্বাল দিয়ে ১ লিটার করে ফেলুন। চিনি ও এলাচ দিয়ে অল্প আঁচে চুলায় রেখে দিন কিছুক্ষণ। যদি দুধ বেশি পাতলা মনে হয় তাহলে সামান্য গুঁড়া দুধ অথবা কনডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে দিতে পারেন। চুলায় মাঝারি আঁচে মালাই রেখে মিষ্টিগুলো ধীরে ধীরে দিয়ে দিন।

৭ থেকে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে চুলায় রেখে নামিয়ে ফেলুন। ঠাণ্ডা হলে ফ্রিজে রেখে দিন। বেশি নাড়াচাড়া করবেন না। এতে মিষ্টি ভেঙে যেতে পারে। বাদাম কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার রসমালাই।

স্বাস্থ্যকর কয়েকটি পানীয় এর রেসিপি

কোন মন্তব্য নেই


স্বাস্থ্যকর কয়েকটি পানীয় এর রেসিপি




আমরা প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরণের পানীয় যেমন পান করে থাকি, তেমনি অতিথি আপ্যায়নেও পছন্দের তালিকায় শুরুতে থাকে নানা ধরণের পানীয়। আর এই গরমে শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ এবং অন্যান্য পুষ্টিগুণ যোগান দিতে প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর পানীয় পান করা। তাই আমাদের কিছু পানীয় রেসিপি জেনে রাখা দরকার। কিন্তু অনেক সময় আমাদের অসচেতনতার কারণে আমরা অস্বাস্থ্যকর পানীয় পান করি যা বিভিন্ন রকম অসুস্থতার কারণ হয়ে দাড়ায়। গরমে আমাদের শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে আর্দ্র থাকে। তাই, পিপাসার মাত্রা কমাতে এবং এই গরমে নিজেদের সুস্থ রাখতে আজ আমরা শেয়ার করছি স্বাস্থ্যকর কয়েকটি পানীয় রেসিপি, যা আপনার পরিবারের সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং অতিথি আপ্যায়নে হতে পারে অনন্য। আজকের ব্লগ পোষ্টে আমরা বেশ কিছু স্বাস্থ্যকর পানীয় রেসিপি শিখবো।


কিছু স্বাস্থ্যকর পানীয় রেসিপি 

১। খেজুর বাদামের মিল্কশেইকঃ

উপকরণঃ
খেজুর
কাঠবাদাম
চিনি
দুধ
বরফ কুচি

প্রস্তুত প্রণালীঃ

কাঠবাদাম ১০ মিনিটের মত গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে খোসা ছাড়িয়ে নেই। খেজুরের বিচি ছাড়িয়ে নেই। খেজুর, খোসা ছাড়ানো বাদাম, চিনি এবং দুধ একসাথে ব্লেন্ড করে নিন। সবশেষে ব্লেন্ডটি গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচি এবং বাদাম কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

২। যষ্টিমধুর শরবত

উপকরণঃ
বেলের গুঁড়া- ১ চা.চা.
জামের বিচির গুঁড়া- ১/২ চা.চা.
যষ্টিমধুর গুঁড়া- ১/২ চা.চা.
মিক্সড ফ্লাওয়ার মধু- ১.৫ টে.চা.
লেবু- একটি ছোট টুকরো
পানি

প্রস্তুত প্রণালীঃ

যষ্টিমধুর শরবত তৈরি করতে একগ্লাস ঠাণ্ডা পানিতে সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে মিক্স করে ব্লেন্ড করুন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেলো স্বাস্থ্যকর যষ্টিমধুর শরবত। এইবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন।

৩। বাদাম শরবত

উপকরণঃ
কাঠবাদাম- ৫০ গ্রাম
চিনি- ১০০ গ্রাম
এলাচ গুঁড়া- ১ টে.চা.
কয়েক ফোঁটা কেওড়া জল
২-৩ তা জাফরান
পানি

প্রস্তুত প্রণালীঃ

প্রথমে ৭-৮ ঘন্টা কাঠবাদাম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে । এরপর ছাল ছিলে ব্লেন্ডার-এ বাদাম নিয়ে তাতে ১/২ কাপ পানি দিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে।এরপর একটি পাত্রে এক কাপ পানি নিয়ে তাতে চিনি দিয়ে ফুটিয়ে চিনি গলিয়ে নিন এবং তাতে এলাচ গুঁড়া ও ব্লেন্ডেড বাদাম মিক্সচার-টি ঢালুন। মিশ্রণ ঘন হলে ১৫ মিঃ রান্না করে চুলা বন্ধ করুন ।

এরপর ছোট এক গ্লাসে ঠাণ্ডা দুধ নিয়ে তাতে ১-২ টে.চা. বাদাম দুধ, কেওড়া জল ও জাফরান দিয়ে ভালো করে মিক্স করে পরিবেশন করুন দারুণ স্বাদের ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা বাদাম শরবত।.

৪। লেবু-পুদিনার মোহিতোঃ

উপকরণ

– পুদিনা পাতা এক মুঠো
– বরফের টুকরো ৬-৭ টি
– বিট লবণ আধা চা চামচ

– মধু ১ চা চামচ
– লেবুর রস ১ চা চামচ


প্রস্তুত প্রণালী

১ গ্লাস পানিতে বরফের টুকরোগুলি নিন। এর সাথে মধু এবং একমুঠো পুদিনা পাতা দিয়ে ভালো করে ঘুটে নিন। এর সাথে ১ চা চামচ লেবুর রস ও আধা চা চামচ বিট লবণ মেশান। এবার একটি ছাঁকনি দিয়ে অবশিষ্ট অংশ আলাদা করে নিন। পরিবেশনের সময় এই পানীয়টির উপর কয়েকটি সবুজ পুদিনা পাতা দিন। এই ছিল লেবু পাতার মোহিতো পানীয় রেসিপি ।

৫। কাজু মিল্কসেক

উপকরণঃ
কাজুবাদাম – ১/২ কাপ
চিনি – দেড় কাপ
এলাচ – ৪ থেকে ৫
দুধ – ১ লিটার
জাফরান – ৪ থেকে ৫ টি

প্রস্তুত প্রণালীঃ

প্রথমে দুটি আলাদা পাত্রে, ৬ ঘন্টার জন্য বাদাম ভিজিয়ে রাখুন। এরপরএকটা পাত্রে দুধ নিন এবং আঁচে দুধ গরম করুন ও কিছুক্ষণের জন্য ফুটতে দিন। এবার বাদাম, এলাচ দিন মসৃণ ভাবে সব গুঁড়ো করে নিন। এবার এই গুঁড়োটিকে ফুটন্ত দুধের মধ্যে ঢেলে দিন। এরপর দুধের মধ্যে চিনি মেশান ও অবশেষে এর ওপরে জাফরান ছড়িয়ে দিন। দুধ একবার ফুটে উঠলে আঁচ বন্ধ করুন ও মিল্কসেকটিকে ঠান্ডা হয়ে ঘরের তাপমাত্রায় আসতে দিন। কয়েক ঘন্টার জন্য রেফ্রিজেটরে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন। ব্যাস, এই ছিল কাজু মিল্কশেক পানীয় রেসিপি ।

আমরা বেশ কিছু স্বাস্থ্যকর পানীয় রেসিপি শিখে নিলাম। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, শুধু মুখরোচক খাবার বা পানীয়ই নয়, সুস্বাস্থ্যের জন্য আমাদের প্রয়োজন সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবার ও পানীয় পান করা। যে কোন পানীয় প্রস্তুত করতে আমাদের সচেতন থাকা উচিত প্রয়োজনীয় উপকরণ ব্যবহারে এবং বাছাই করতে । তবেই স্বাদ এবং মান দুটোই ঠিক থাকবে।

খাসির মাংসের ‘কড়াই গোস্ত ।

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৯

সেহেরিতে খাসির মাংসের ‘কড়াই গোস্ত’






শাহ আলম প্র ডেস্ক: গরুর মাংস দিয়ে কড়াই গোস্ত মোটামোটি সবাই করেন। কিন্তু কখনো খাসির মাংস দিয়ে কড়াই গোস্ত রান্না করেছেন? জনপ্রিয় খাসির কড়াই গোস্ত তৈরি করতে খুব বেশি উপকরণের ও প্রয়োজন নেই। হাতের কাছের স্বল্প উপকরণ দিয়েই তৈরি করতে পারেন মজাদার কড়াই গোস্ত। আজ শিখে নিন মজাদার মাটন কড়াই রেসিপি। জেনে নিন কড়াই গোস্ত রান্না করবেন যেভাবে-

উপকরণ :
খাসির মাংস- আধা কেজি
কাঁচামরিচ- ৪টি
তেল- ৪ টেবিল চামচ
আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ
লবণ- স্বাদ মতো
টমেটো- ২টি
পেঁয়াজ- ৩টি
মরিচ গুঁড়া- আধা চা চামচ
হলুদ গুঁড়া- আধা চা চামচ
ধনে গুঁড়া- ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া- আধা চা চামচ
ধনেপাতা কুচি- ১ মুঠো
রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ

প্রণালি :
২ কাপ পানি ও আদা-রসুন বাটা দিয়ে মাংস সেদ্ধ করে নিন। পানি শুকিয়ে গেলে ও মাংস সেদ্ধ হলে পাত্র নামিয়ে নিন।
কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি সোনালি করে ভাজুন। টমেটো দিয়ে দিন কড়াইয়ে। তেল ছাড়া পর্যন্ত ভাজুন। লবণ, মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া ও জিরা গুঁড়া দিয়ে নাড়তে থাকুন। মসলার মিশ্রণে সেদ্ধ মাংস দিয়ে চুলার জ্বাল বাড়িয়ে দিন। ২০ মিনিট পর সামান্য পানি দিয়ে ঢেকে দিন কড়াই।
মৃদু আঁচে ১০ মিনিট রাখুন চুলায়। কাঁচামরিচ ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে ১ মিনিট রান্না করে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন খাসির কড়াই গোস্ত।
Don't Miss
© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
made with by SaHaLoM Pro